আজকে সামাজিক মাধ্যমে এই লেখাটা পড়ে মজা পেলাম কিন্তু কিছু ভাবতেও বাধ্য হলাম। অধুনা শিক্ষিতা বঙ্গতনয়াগণ, নিজের পরিচিতি এবং পিতৃকুলের পদবী রক্ষা করিবার জন্য বিবাহের পর শ্বশুরকুলের পদবী যুক্ত করিয়া এক নবতর প্রথার সূচনা করিয়াছেন। ফলতঃ, জন্ম লইতেছে নানান অভিনব যুগ্মপদবী, যাহা একদিকে সমাজের বিবর্তনকে চিহ্নিত করিতেছে এবং অন্যদিকে প্রতিদিনের জীবনে সৃষ্টি করিতেছে অপূর্ব হাস্যরস।
উদাহরণস্বরূপ, সুস্মিতা কোলে, দীপক বোসের সহধর্মিণী হইয়া পরিণত হইলেন সুস্মিতা কোলে বোস। ইহাতে কি সমস্যার সমাধান হইল? না কি গোলযোগ বাড়িল?
নানাবিধ যুগ্মপদবী সম্বলিত বিচিত্র নাম এখন আমাদের চারিপাশে:
- বিশ্বাস কর
- দাম দে
- ওঝা গিরি
- দেব দত্ত
- ঠাকুর ভক্ত
- গুণ ধর
- বর্ধন শীল
- ভদ্র উকিল
এমনকি আমার পরিচিত একজন বেচারার গল্প শুনিয়া বিস্মিত হইলাম। কনে পক্ষের তরফ হইতে প্রস্তাব দেওয়া হইল যে, মেয়ের পদবী ‘কোলে’ এবং পাত্রের পদবী ‘হাতি’ মিলাইয়া বিবাহপরবর্তী নাম হইবে ‘কোলে হাতি’। পাত্র হাস্যকর নামের কথা ভাবিয়া বিহ্বল হইয়া সেই মুহূর্তে বিবাহ বাতিল করিয়া বসিলেন। 😩
তাহা হইলে এই পদবী সংযুক্তিকরণ কি সমাজের অগ্রগতির পরিচায়ক, না কি ভবিষ্যতে আরও জটিলতার সৃষ্টি করিবে? তবে এই প্রথার একটি মজার দিক অস্বীকার করিবার উপায় নাই। প্রতিদিনের ব্যবহারে এই নামগুলি যেমন হাসির খোরাক জোগায়, তেমনই নতুন প্রজন্মের জন্য একটি নতুন সামাজিক সংজ্ঞা তৈয়ার করিয়া দেয়।
আপনার মতামত কি? যুগ্মপদবী কি রক্ষা করিয়া চলা উচিত, না কি নামের জটিলতা হ্রাস করিবার জন্য কোনও সহজ সমাধান থাকা উচিত?
Discover more from Indrosphere
Subscribe to get the latest posts sent to your email.

It’s good that you merged your Bengali blog “Kinjolkini” into Indrosphere and created a new section dedicated to your Bengali posts. Liked it.
Yes, I thought it’d be better to merge both the blogs into one. Kinkolkini has very little viewership and so I thought to merge Kinkolkini into the Indrosphere.